কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণ করে রোগ নির্ণয় করাও সম্ভব !

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৮:০৭, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭ পৌষ ১৪২৮

কণ্ঠ বিশ্লেষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি এমনকি রোগব্যধির লক্ষণও শনাক্ত করা সম্ভব বলে জনিয়েছেন জার্মানির আউগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর বিয়র্ন শুলার। অর্থাৎ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কণ্ঠস্বর থেকে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব।

 

 

প্রফেসর বিয়র্ন শুলার বলেন, ‘পার্কিনসন রোগ আসলে নিউরোজেনারেটিভ ডিসঅর্ডার। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে মোটোর স্কিলস বা শরীর নাড়াচাড়া করার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একেবারে প্রাথমিক স্তরেই সূক্ষ্ম পেশির ওপর প্রভাব পড়ে, যা আমাদের কণ্ঠে ধ্বনি সৃষ্টি করার সময় প্রয়োজন হয়।’

তখন সুস্থ মানুষের কণ্ঠের সঙ্গে একটা পার্থক্য সৃষ্টি হয়। অত্যন্ত অসুস্থ মানুষের কণ্ঠ ভাঙা শোনায়। গবেষকরা একেবারে প্রথম পর্যায়ে পার্কিনসন রোগ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।

অটিজম, এডিএইচএস বা ডিপ্রেশনের মতো রোগ শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও কণ্ঠ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া কাজে লাগছে। এ প্রক্রিয়ার সাফল্যের হার ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ। সিস্টেমে এরই মধ্যে কয়েক'শো রোগীর তথ্য জমা হওয়ায় সেটা সম্ভব হচ্ছে।

মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি আগেই সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। তিনজন স্বেচ্ছাসেবীর সাহায্যে তা যাচাই করা হয়েছে। যেমন ডিয়র্ক নামের ব্যক্তির কৌতূহল ছাড়া তার আর কোনো চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা গেছে কি না, তা জানার চেষ্টা করতে গিয়ে প্রফেসর শুলার বলেন, ‘‘ডিয়র্কের মধ্যে হালকা অন্তর্মুখী প্রবণতা রয়েছে। অর্থাৎ সে অন্যদের সঙ্গে মেলামেশার বদলে নিজের মতো থাকতে পছন্দ করে।”

 

বিষয়ঃ গবেষণা

Share This Article


দ্রব্যমূল্য নিয়ে অভিযোগ জানানো যাবে ‘৩৩৩’-এ

৭১ লাখেরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ

তিমির সাথে ২০ মিনিট কথা বললেন বিজ্ঞানীরা!

বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম রাত আজ

মস্তিষ্কে বুলেট আটকে ছিল ১৮ বছর, যেভাবে মুক্তি পেলেন যুবক

হোয়াটসঅ্যাপের ছবি-ভিডিও গ্যালারিতে সেভ হওয়া বন্ধ করবেন যেভাবে

এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনে আরও সুরক্ষিত ফেসবুক মেসেঞ্জার

গুগলে এ বছর সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে যাদের

যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপের ভয়েস মেসেজে ‘ভিউ ওয়ানস’ ব্যবহার করবেন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রথম আইনে সম্মত ইইউ

আগামী দশকেই মহাকাশ স্টেশনকে অবসরে পাঠাচ্ছে নাসা?

ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর কেন্দ্রে গিয়ে বদলাতে পারে ভূমিকম্পের গতিপ্রকৃতি!