নাসিক নির্বাচনে ‘কৌশলী’ অবস্থানে বিএনপি !

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ১০:১৪, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
বিএনপির লগো
বিএনপির লগো

আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন নিয়েও ‘কৌশলী’ অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে সব নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও ভোটের মাঠে থাকবে দলটি। এজন্য ধানের শীষ প্রতীকে অংশ না নিলেও স্বতন্ত্রভাবে নেতারা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন নির্বাচন করার বিষয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যা ইতোমধ্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জানানো হয়েছে। এখন দলের হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পেলেই তারা মাঠে নামবেন। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক জানান, নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় নেতারা তাদের জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলে নেতাকর্মীদের চাঙা রাখা যাবে। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিকে সামনে রেখেই তারা এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। কারণ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের ধারণা, আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী টানা তিনবার মেয়র। একই মুখ বারবার দেখার কারণে এবার ভোটাররা পরিবর্তন আনতে পারে। সে কারণে তারা চাচ্ছেন রাজধানীর পার্শ^বর্তী এই জেলার সিটি নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের মধ্যে একজন প্রার্থী থাকুক। খালি মাঠে আওয়ামী লীগকে গোল করতে দিতে চান না। স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী দিলে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেওস্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।

সর্বশেষ গত বছরের ১২ নভেম্বর জাতীয় সংসদের ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নেয় বিএনপি। এরপর আর জাতীয় সংসদের কোনো উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে তারা অংশ নেয়নি। গত মার্চে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০১১ সালের নির্বাচনে ভোটের মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ওই সময় তৈমূর দাবি করেন, তাকে গোসল ছাড়াই কোরবানি দেওয়া হয়েছে। পরে অভিমান করলে ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি। ওই নির্বাচনে বিএনপির টিকিটে অংশ নেন অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন। অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকেই সারা দিন আমার বাড়িতে লোকে লোকারণ্য। সবার দাবি আমাকে নির্বাচনে দাঁড়াতে হবে। নেতাকর্মীদের বলেছি, দল যদি দলীয়ভাবে নির্বাচন করে আমি দাঁড়াব। গত নির্বাচনে মান-অভিমানের কারণে দাঁড়াইনি। এখন দলের স্বার্থে আমাকে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি দলকে মোকাবিলা করার জন্য নারায়ণগঞ্জে সব ধরনের প্রস্তুতি বিএনপির আছে। এখন দলের নির্দেশের জন্য অপেক্ষায় আছি। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই আমরা মানব। দল যদি দলীয় ব্যানারে নির্বাচন করে আর নেতাকর্মীরা যদি আমাকে প্রার্থী হিসেবে চায়।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে (নাসিক) আগামী ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আগামী ১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৭ ডিসেম্বর ও প্রচার শুরু ২৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করা হবে।

বিষয়ঃ বিএনপি ভোট

Share This Article

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী কে এই আলেস বিলিয়াতস্কি?

আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন গ্রিড পেতে কাজ করছে সরকার : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

রাসুলের আদর্শ অনুসরণেই মানবজাতির মুক্তি : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির

সেনা অভ্যুত্থান : ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারে

মুক্তিপণ দেওয়ার পরও বাঁচলেন না বাঁচতে পারলেন না সোহেল

বাংলাদেশ,শ্রীলংকা নাকি আমেরিকা: মাথাপিছু ঋণ কার বেশি

বিশ্ববাজারে কমেছে চিনি-মাংস-দুধের দাম, বেড়েছে ধান-গমের : জাতিসংঘ

বিদেশে পাঠানোর নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে চক্রটি

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় বিএনপির ৪ নেতাকে নোটিশ

শিক্ষকের পা ছুঁয়ে শ্রদ্ধা জানালেন তথ্যমন্ত্রী