'ফলস হোপ' ও আওয়ামী লীগ সরকারের সক্ষমতার অবমূল্যায়ন বিএনপিকে ব্যর্থ করেছে

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ১১:৫৩, সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪, ২৪ আষাঢ় ১৪৩১
  • সরকার খুবই দুর্বল হয়ে গেছে, মার্কিন কর্মকর্তাদের গতিবিধি সুবিধাজনক না
  • মার্কিনিরা সাংবাদিক সম্মেলনে বাঁকা কথা বলছে
  • যুক্তরাষ্ট্রের নানা তৎপরতা সামাল দেয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব না
  • একাত্তরে মার্কিনীরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষেই ছিল
  • এ অঞ্চলে ভারতের নেতৃত্বের প্রতিই তারা আস্থাশীল
  • নতুন করে ফলস হোপ ছড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে সরকারের সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। সরকার খুবই দুর্বল হয়ে গেছে, মার্কিন কর্মকর্তাদের গতিবিধি সুবিধাজনক মনে হচ্ছে না, মার্কিনিরা সাংবাদিক সম্মেলনে বাঁকা কথা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নানা তৎপরতা সামাল দেয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব না বলে প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মহলকে প্রচারণা চালাতে দেখা যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন কূটনীতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জানার অভাবই এই ধারণা তৈরির পেছনে কাজ করেছে। বিরোধীদের বিভ্রান্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ সম্পর্কে ভুল ধারণা। মার্কিনীরা সবসময় বহুমাত্রিক কূটনীতি পরিচালনা করে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল দেশটি। কিন্তু তখন দেশটির অনেক সিনেটর বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। ঢাকায় অবস্থানরত তৎকালিন কূটনীতিকরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থানের পাশাপাশি ভারতে আশ্রিত শরণার্থীদের ব্যাপক সহায়তা দিয়েছে। মার্কিন নাগরিক সমাজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ফান্ড সংগ্রহ করেছে।

পাকিস্তানকে সমর্থনের মার্কিন মূলনীতিকে বিবেচনায় না নিয়ে বিশ্লেষণ করলে সহজেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় যে মার্কিনীরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই ছিল। কিন্তু আসলে তারা একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয়ের পক্ষ নিয়েছিল। এটিই বহুমাত্রিক কূটনীতি।

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটেও বিষয়গুলোকে সেভাবেই দেখতে হবে। মার্কিনিরা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলছে, র‌্যাবের ওপর স্যাংশন দিচ্ছে, বিরোধীদের সঙ্গে দেখা করছে, তার মানে এই নয় যে তারা দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-কেন্দ্রিক নীতি থেকে সরে এসেছে। এখান থেকে বহু ভুল ধারণার জন্ম হয়েছে। বিশ্লেষকদের এসব ভুল ধারণা বিরোধীদের বিভ্রান্ত করেছে। দিয়েছে "ফলস হোপ"।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও যথেষ্ট বিভ্রান্তিকর কাজ করেছে নির্বাচনের আগে। তারা বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মাতে পেরেছিল যে, ২০২৪ সালের নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য তারা পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপই তারা নেয়নি। নির্বাচনের পর তারা জানিয়ে দিয়েছে, এ অঞ্চলে ভারতের নেতৃত্বের প্রতিই তারা আস্থাশীল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরানোর ব্যাপারে ভারতের নীতির বাইরে গিয়ে কোনো আন্তরিক পদক্ষেপ নেবে না এটা ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর একেবারে স্পষ্ট হয়। তবু নির্বাচনের পর তাদের অনেক দিনের নীরবতার পর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর নিষেধাজ্ঞার সূত্রে কোনো কোনো বিশ্লেষক ধারণা দিতে শুরু করেছেন যে, এই প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে চলবে। নতুন করে ফলস হোপ ছড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে। এগুলো বিরোধী আন্দোলনে আর নতুন কিছু যোগ করতে পারবে না, বরং আন্দোলনকেই দুর্বল করে দেবে।

সমালোচকরা বলছেন, তলে তলে অনেক বেলা হয়ে গেছে। ১৫ বছর আগে যার বয়স ৪০ ছিল তার এখন ৫৫ হয়েছে। নিজের পাকা চুলের দিকে তাকালেও এই পাকা চুলগুলো অন্তত জানে, আওয়ামী লীগ সরকার কতটা পেকেছে। সুতরাং ফলস হোপ দিয়ে জনগণের রায়ে টানা নির্বাচিত এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটানো যাবে না।

Share This Article

যাঁরা ‘আমি রাজাকার’ বলেন, তাঁদের শেষ দেখে ছাড়বে ছাত্রলীগ

এ যুগের রাজাকারদের পরিণতি ওই যুগের রাজাকারদের মতই হবে : শিক্ষামন্ত্রী

কোটা আন্দোলনকারীদের হটাতে অ্যাকশনে পুলিশ

কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুকন্যাকে কটূক্তি করেনি, কেউ শিখিয়ে দিয়েছে

আর্জেন্টিনার ইতিহাস গড়া জয়, কোপার শিরোপা মেসিদের

ঢাবি হলের কক্ষে কক্ষে কোটাব্যবস্থা নিয়ে প্রচারপত্র দিলেন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা

প্রাণহানির প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে : প্রধানমন্ত্রী

পারলে সশরীরের ঢাকায় যেতাম, আন্দোলন নিয়ে কবীর সুমন

‘পত্রপত্রিকা কী লিখল সেটা দেখে নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই’


ছাত্র-শিক্ষকদের আন্দোলনে চাপা পড়ছে বিএনপির আন্দোলন!

সার্বজনীন পেনশন স্কিম কতৃপক্ষের সঙ্গে সাত ব্যাংকের সমঝোতা স্বাক্ষর

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না, বৃদ্ধি পাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর : অগ্রাধিকার পাবে যেসব বিষয়

রাজস্ব আদায়ের নতুন মাইলফলক ঢাকা দক্ষিণ সিটির

চীন-বাংলাদেশের জনগণের সংযোগ বয়ে আনবে ঢাকা-বেইজিং ফ্লাইট!

"অন্যরা মিছিলকরলে গ্রেপ্তার করা হয়, রিজভীকে কেন গ্রেপ্তার করা হয় না?"

আদানি পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ হয়নি, কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে ১ ইউনিট চালু

ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট ও করিডোর কী

বড় কোন পরিবর্তন ছাড়াই বাজেট পাস

দক্ষ শ্রমিক তৈরিতে ঋণ দিচ্ছে ইইউ, নতুন কর্মসংস্থানের হাতছানি