কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের সমাপ্তি টানল স্কটল্যান্ড

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:৩১, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
বিস্ফোরক দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৬০০ ফুট উঁচু চিমনি
বিস্ফোরক দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৬০০ ফুট উঁচু চিমনি

অনলাইন ডেস্ক:
বিস্ফোরক দিয়ে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রর চিমনি ধ্বংসের মাধ্যমে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইতিহাসের সমাপ্তি টানলো স্কটল্যান্ড। ২০৪৫ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। তারই ধারবাহিকতায় লংগনেট পাওয়ার স্টেশনের ৬০০ ফুট লম্বা চিমনি গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করে। বিবিসি বৃস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কটল্যান্ডের সর্বশেষ কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি ২০১৬ সালেই বন্ধ হয়ে যায়। ওই চিমনি স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে বড় স্থায়ী কাঠামো ছিল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ওই চিমনিকে স্থানীয়রা ল্যান্ডমার্ক হিসেবে মনে করতেন।

স্থানীয় সময় বৃস্পতিবার সকালে দেশটির ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজন ৭০০ কেজি বিস্ফোরক চালু করেন। এর পর চিমনিটি গুঁড়িয়ে যায়।

এ ব্যাপারে নিকোলা স্টারজন জানান, ২০৪৫ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য স্কটল্যান্ড কাজ করে যাচ্ছে সেটার প্রতীকী স্মারক হিসেবে আজকের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

স্কটিশ পাওয়ারের মালিকানাধীন লংগনেট পাওয়ার স্টেশন শুধু স্কটল্যান্ডেই নয় সমগ্র ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বড় কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প। ১৯৭০ সালে স্টকল্যান্ডের এক চতুর্থাংশ বাড়ির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো হতো এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে। প্রায় অর্ধশতক ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর ২০১৬ সালে এই প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়।

Share This Article


ভারতে উদযাপিত হচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবস

লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে ৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

বিশ্বজুড়ে আরও এক হাজার মানুষের মৃত্যু, আক্রান্ত পৌনে দুই লাখ

ফিলিপাইনে বিমান বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত

শপথ নিয়ে যা বললেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

এবার মাইক পেন্সের বাড়িতে মিলল গোপন নথি

গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে পাকিস্তান

অ্যালকোহল বিক্রি করে ৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য ও ইইউ’র নতুন নিষেধাজ্ঞা

আজকেও অন্ধকারে পাকিস্তান

সুইডেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ পেতে সমর্থন করবে না তুরস্ক: এরদোয়ান

করোনায় আরও ৮৯৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত এক লাখ