বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মামলায় যুবককে খালাস

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:১১, শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্ট

অনলাইন ডেস্ক: প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর সম্মতিতে সহবাস করা হলে এটি কে ধর্ষণ বলা যায় না বলে মনে করছে ভারতের হাইকোর্ট। এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মামলায় এক যুবককে বেকসুর খালাস দিয়েছেন ভারতের কলকাতা হাইকোর্ট। মামলায় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর সম্মতিতে সহবাস হয়েছে। এক্ষেত্রে আর যাই হোক ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

ভারতের সংবাদমাধ্যম জি নিউজে বলা হয়, অভিযুক্তের নাম সাদ্দাম হোসেন। বাড়ি, উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে সহবাস করেছিলেন তিনি। পরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, তাকে আর বিয়ে করতে রাজি হননি সাদ্দাম। থানায় অভিযোগ করেন ওই তরুণী। ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করে তদন্ত নামে পুলিশ। ২০১৫ সালে সাদ্দাম হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে ইসলামপুরের অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালত। তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারক। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির শুনানি চলেছে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন। শেষ পর্যন্ত নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দিল হাইকোর্ট।

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ বলে, সহবাসে সম্মতি দেওয়ার সময় অভিযোগকারিনী প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। দুজনের সম্মতিতেই সহবাস হয়েছে। তা ছাড়া সাদ্দামের তাকে বিয়ে করার ইচ্ছাও ছিল। কিন্তু পরিবারের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। তাই এক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না।

Share This Article


ফিলিপাইনে বিমান বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত

শপথ নিয়ে যা বললেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

এবার মাইক পেন্সের বাড়িতে মিলল গোপন নথি

গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে পাকিস্তান

অ্যালকোহল বিক্রি করে ৬ মাসে কেরুর আয় ২৩৩ কোটি টাকা

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য ও ইইউ’র নতুন নিষেধাজ্ঞা

আজকেও অন্ধকারে পাকিস্তান

সুইডেনকে ন্যাটোর সদস্যপদ পেতে সমর্থন করবে না তুরস্ক: এরদোয়ান

করোনায় আরও ৮৯৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত এক লাখ

ট্রান্স ফ্যাটের কারণে বছরে প্রায় ৫ লাখ মানুষ মারা যায়

চলতি বছরের প্রথম মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত ৫৯

ফের পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক হারুন রশিদ