সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্য

স্বামীর বর্বরতাকেও খালেদা জিয়া ছাড়িয়ে গেছেন

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৯:২০, রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়
  • খুনিদের নিরাপদে বিদেশে চাকরি করার সুযোগ দেন জিয়া
  • বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনিদের বিচার করেননি জিয়া
  • ২০০১ সালে তাকে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত করেন খালেদা জিয়া

‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনিদের বিচার না করে নিরাপদে বিদেশে চাকরি করার সুযোগ দিয়েছিল জিয়াউর রহমান। কিন্তু তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ছাড়িয়ে গেছেন স্বামীর বর্বরতাকেও। ১৯৯৬ সালে বিচার বাস্তবায়নের জন্য জেলে ঢোকানো হয় খুনি খায়রুজ্জামানকে। কিন্তু বিচার চলমান অবস্থায়, ২০০১ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার সরাসরি নির্দেশে, এই খুনিকে জেল থেকে মুক্তি এবং প্রমোশন দিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয়।’

রোববার (২৮ নভেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেছেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় তার পোস্টে আরও বলেন, ‘খুনি খায়রুজ্জামানের প্রতি বিশেষ আশীর্বাদ ছিল বিএনপি-জামায়াত জোটের। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ও কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর, ১৯৭৫ সালে মিসরে পোস্টিং দেওয়া হয় তাকে। এরপর জিয়াউর রহমানের আশীর্বাদে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাকরিতে ক্রমাগত প্রমোশন হয় তার। এমনকি মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার পর্যন্ত বানানো হয় তাকে।’

জয় বলেন, ‘১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সময় দেশজুড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে এই খুনি খায়রুজ্জামান। তার দাপটে সবসময় আতঙ্কে থাকতো প্রশাসনের কর্মকর্তারা। খালেদার বিশেষ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ছিল সে।’

‘কিন্তু ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের পতন ঘটে এবং সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। এরপর জেল হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হিসেবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় খুনি খায়রুজ্জামানকে। তারপর বিচারিক প্রক্রিয়ায় জেলে ঢোকানো হয় তাকে। কিন্তু ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় আসে বিএনপি-জামায়াত জোট। প্রথমেই বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের বিচার থামিয়ে দেয় তারা। এমনকি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই, জেলে আটক খুনি কামরুজ্জামানকে ছেড়ে দেওয়ার সরাসরি নির্দেশ দেয় খালেদা জিয়া।’

জয় তার পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘খালেদা জিয়ার নির্দেশে খুনি খায়রুজ্জামানকে জেল থেকে প্রথমে বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে স্থানান্তরিত এবং তারপর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এখানেই থেমে নেই খালেদা জিয়ার স্বেচ্ছাচারিতা। তার নির্দেশে খুনি খায়রুজ্জামানকে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় প্রমোশন দেওয়া হয় এবং পাঠানো হয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত জোটের মেয়াদ শেষ হলে সে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’

Share This Article


পেঁয়াজসহ পচনশীল পণ্য সংরক্ষণে গুদাম নির্মাণের নির্দেশ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

যে কারণে আবার ক্ষমতায় আসবেন হাসিনা: ইকোনমিস্ট

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ড. ইউনূসের বিচার শুরু

অবহেলিত খ্রিস্টান পল্লী জয় খোকন সেরনিয়াবাত পত্নী'র

মিয়ানমারে ফিরতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা বন্ধ করল জাতিসংঘ

বাংলাদেশে ইস্যুতে বাইডেনকে ৬ কংগ্রেসম্যানের চিঠি, প্রবাসে তীব্র প্রতিক্রিয়া

আওয়ামী লীগ সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে : প্রধানমন্ত্রী

দেশে করোনায় আরও দুইজনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০১

গরমে এবার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিকের ক্লাস ৮ জুন পর্যন্ত বন্ধ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৭ হাজার মামলা : আইনমন্ত্রী