চূড়ান্ত ভাবে ফাইভ-জি’র যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ !

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ১০:০৪, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ফাইভ জি
ফাইভ জি

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, আগামী ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্তভাবে ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে গত ৪ ডিসেম্বর শনিবার গাজীপুরে সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ভেতরে ফাইভ জি প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। পৃথিবীর ৬/৭টি বেশি দেশ এখন পর্যন্ত ফাইভ-জি’তে প্রবেশ করেনি। ফাইভ-জি’র যুগে প্রবেশের বিষয়টি ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারের নিশ্চয়তা ছিল।

ফাইভ-জি’কে টু-জি, থ্রি-জি’র মতো আরো একটি মোবাইলের প্রযুক্তি মনে করা যাবেন না। আগামী দিনের বিশ্বকে বদলে দেওয়ার একটি প্রযুক্তি হচ্ছে ফাইভ-জি। আমরা প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছর পেছনে পড়া একটি দেশ। এই প্রথম পৃথিবী সর্বাগ্রে যে দেশগুলো প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ স্থায়ী আসন গ্রহণ করতে যাচ্ছে।

মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর সর্বোচ্চ প্রযুক্তির একটা দেশে রূপান্তর করতে যাচ্ছি- এটি আমাদের গর্বের বিষয়। ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে এমন কোনো ইউনিয়ন বাকি থাকবে না যেখানে দ্রুতগতির কানেকটিভিটি পৌঁছাবে না আমি এ নিশ্চয়তা দিতে পারি। ১৬০টি ছাড়া বাকী সবগুলো ইউনিয়নগুলোতে আমরা কানেক্টিভিটি পৌঁছে দিচ্ছি। সবগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র ২/৩ শ ইউনিয়নে কানেক্টিভিটির কাজ চলছে যেগুলো আমরা ২০২২ সালের মধ্যে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো। যে ১৬০টিতে কানেকশন দিতে পারছি না সেগুলোতে আমরা স্যাটেলাইট ব্যবহার করব।

বিএসসিএলের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহজাহান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. কামরুজ্জামান, বিসিএসএল’র মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেন, গাজীপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক কামরুজ্জামান, বিসিএসএল’র ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র।

পরে মন্ত্রী মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। গাজীপুরের ২৫টি প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত চারটি ক্যাটাগরিতে ১০১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article