পহেলা বৈশাখে উদীচীর অনুষ্ঠান করা নিয়ে যা বললেন আরাফাত

  নিউজ ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৬:৫৯, সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩০

 ১৯৯৩ সালে ১৪০০ বঙ্গাব্দে বাংলা শতবর্ষ বরণ করার সময় বেগম খালেদা জিয়ার সরকার বাধা দিয়েছিল। তাদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্য নিরাপত্তাজনিত ছিল না। বরং ছিল বাঙালির সার্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক এই উৎসবকে নিরুৎসাহিত করা। 

পহেলা বৈশাখে ৬টার পরও উদীচীর অনুষ্ঠান করা নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

সন্ধ্যা ৫টার মধ্যে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শেষ করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৬টার পরও উদীচীর অনুষ্ঠান করা এবং এ বিষয়ে নেতিবাচক বিবৃতি দেওয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজের দফতরে এ মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যে নির্দেশনা জারি করেছিল সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান করা ছিল হঠকারী ও দুঃখজনক। তাদের এই আচরণে সরকার খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত।

তিনি আরও বলেন, অতীতে পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে এবং যশোরের উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেকে পঙ্গু হয়েছেন। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া ময়দান ও সিলেটে ঈদের জামাতের জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং জনগণের জীবন বাঁচিয়েছেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সবসময় সতর্ক থাকায় নিকট অতীতে বাংলাদেশে কোনও জঙ্গি হামলা বা সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে পারেনি। এই বিষয়ে সরকার সবার সহযোগিতা কামনা করে।

আরাফাত বলেন, ১৯৯৩ সালে ১৪০০ বঙ্গাব্দে বাংলা শতবর্ষ বরণ করার সময় বেগম খালেদা জিয়ার সরকার বাধা দিয়েছিল। তাদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্য নিরাপত্তাজনিত ছিল না। বরং ছিল বাঙালির সার্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক এই উৎসবকে নিরুৎসাহিত করা। বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে মুক্তিযু্দ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব সংগঠনসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা আমরা সবাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছিলাম।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের কর্তব্য। আশা করবো এক্ষেত্রে সবাই সবসময় সহযোগিতা করবেন যাতে আনন্দের অনুষ্ঠান বিষাদে পরিণত না হয়ে যায়।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যে অনুষ্ঠান উদীচী করেছে সেখানে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায়-দায়িত্ব কে নিতো এ প্রশ্ন রেখে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা মনে করি নিয়ম বা নির্দেশ না মেনে অনুষ্ঠান যারা করবেন তাদেরকেই সেই দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে যথাযথভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয় উল্লেখ করে এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য বাংলা নববর্ষ ভাতার ব্যবস্থাও করেছে। তার সরকারের সময়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পর জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ সালে বাংলাদেশের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

Share This Article


ফিলিস্তিনি আহতদের চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বুদ্ধ পূর্ণিমায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

‘কার্বন নিঃসরণ কমাতে উন্নত বিশ্বকে মনোযোগ দিতে হবে’

সুশাসন সূচকে ফের শীর্ষে সিঙ্গাপুর

কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

৫৩২ বাংলাদেশির বাড়ি-ফ্ল্যাট আছে দুবাইয়ে

এক শতাংশ ভোটার এলেও নির্বাচন গ্রহণযোগ্য: ইসি হাবিব

আগামীতে জেলাভিত্তিক প্রকল্প নেওয়া হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। ছবি: সংগৃহীত

ফের হিট অ্যালার্ট জারি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে কাজ করছে সরকার