এপ্রিল মাসেই জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ চায় ফিলিস্তিন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:৫৭, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪, ১৯ চৈত্র ১৪৩১

২০১১ সালে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পেতে আবেদন করেছিল ফিলিস্তিন। সেই আবেদন এখনো পড়ে আছে। 

যুগের পর যুগ ধরে জাতিসংঘের সদস্যপদ পেতে চেষ্টা-তদবির করে আসছে ফিলিস্তিন। বিশ্বের বড় বড় দেশ ও নেতাদের অনুরোধ করে আসছেন ফিলিস্তিনি নেতারা। তবে এত বছর পার হলেও শুধু জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দেশটিকে।

বছরের পর বছর ধরে বৈশ্বিক সংস্থাটির নিরাপত্তা পরিষদে আটকে আছে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের আবেদন। তবে চলতি এপ্রিল মাসেই আবারও নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আসন্ন এই বৈঠকেই জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদের দাবি করার কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিন। খবর ডেইলি সাবাহর।

সোমবার (১ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি দূত রিয়াদ মনসুর জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পেতে চলতি মাসে নিরাপত্তা পরিষদের ভোটের দাবি করেছেন। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের হার বৃদ্ধির মধ্যে এই পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করলেন তিনি।

মনসুর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, আগামী ১৮ এপ্রিল একটি মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে নিরাপত্তা পরিষদ। তবে ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পেতে আবেদন করেছিল ফিলিস্তিন। সেই আবেদন এখনো পড়ে আছে। কারণ নিরাপত্তা পরিষদ কখনো ভোটের আয়োজন করেনি। আমরা এই মাসে নিরাপত্তা পরিষদে ভোটের জন্য আবেদন করব।

গত ছয় মাস ধরে গাজা যুদ্ধ চলছে। ইসারয়েলি হামলায় সেখানে ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে হামাসের হামলায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত নিরসনে এই যুদ্ধের মধ্যে আবারও দ্বিরাষ্ট্রীয় সমধানের বিষয়টি আলোচনায় আসছে। দ্বিরাষ্ট্রীয় সমধানের মূল কথা হলো ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র পাশাপাশি অবস্থান করবে।

কোনো দেশকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য পদ পেতে হলে অবশ্যই নিরাপত্তা পরিষদের ছাড়পত্র লাগবে। নিরাপত্তা পরিষদ ছাড়পত্র দিলে বিষয়টি উঠবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। ১৯৩ সদস্য বিশিষ্ট এই পরিষদের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিলেই তবে ওই দেশটি জাতিসংঘে প্রবেশ করতে পারবে। তবে এর যে কোনো পর্যায়ে ভেটো দিতে পারে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। ঐতিহাসিকভাবে জাতিসংঘে ইসরায়েলের ঢাল হিসেবে কাজ করে আসছে দেশটি। সাধারণত ইসরায়েলবিরোধী কোনো প্রস্তাবই জাতিসংঘে পাস হতে দেয় না তেল আবিবের দীর্ঘদিনের মিত্র ওয়াশিংটন।

Share This Article


ইরানের পর সিরিয়া ও ইরাকেও বিস্ফোরণ

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের সদস্যপদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো

ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু

এবার ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

সেরেলাক নিয়ে ভয়ংকর তথ্য : শিশুরা দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত হতে পারে

ইরানের হাতে রাশিয়ার অস্ত্র, এবার কী করবে ইসরায়েল

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য ইহুদি নেতার

প্রকাশ্যে এলো ভয়াবহ তথ্য, এক বোমায় মৃত্যু হাজারো ফিলিস্তিনি ভ্রুণের

ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

বন্দি ফিলিস্তিনিদের ওপর যেসব ভয়াবহ নির্যাতন চালায় ইসরাইল

এবার ইসরাইলে হামলা হিজবুল্লাহর, আহত ১৩

ইরানের সঙ্গে কখন যুদ্ধে জড়াবে, জানাল যুক্তরাষ্ট্র