আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসি

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:৪২, বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
নির্বাচন কমিশন ভবন
নির্বাচন কমিশন ভবন

নিজস্ব প্রতিবেতন: আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব নির্বাচন শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে চলমান স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ সব নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা করেছে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের কমিশন।

 

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায়ের আগেই বর্তমান কমিশন জেলা পরিষদের নির্বাচনও করার চিন্তা ভাবনা করছে। সেক্ষেত্রে সব জেলা পরিষদের নির্বাচন সম্ভব না হলেও কিছু জেলা পরিষদের নির্বাচন করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জানুয়ারির মধ্যে মোটামুটি স্থানীয় সরকারের মেয়াদ উত্তীর্ণ সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। যেসব জেলায় ডিসেম্বরের মধ্যে ইউপি, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের ভোট সম্পন্ন হয়েছে সেই সব জেলায় জেলা পরিষদের ভোট করা হবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারিতে জেলা পরিষদের ভোট হতে পারে।

ইসির সংশ্লিষ্টরা বলেন, ইতিমধ্যে প্রায় সব পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নিবাচন শেষ পর্যায়ে। প্রায় ৩ হাজার ইউপির ভোট চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। গত ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর ইউপির প্রথম ধাপে ৩৬৫টি, গত ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৩টি, গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ইউপির ভোট শেষ হয়েছে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে আরো ৮৪৩টি ইউপির ভোট হবে। এছাড়াও আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোট হবে। বাকি ষষ্ঠ ধাপের ভোটও জানুয়ারির মধ্যে শেষ করবে কমিশন। এছাড়াও আগামী ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, পাঁচ পৌরসভা ও টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে ইসি।

একটি জেলার অধীনে যতগুলোর স্থানীয় সরকার রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করে থাকেন। অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র এবং কাউন্সিলররা বা সদস্যরা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করে থাকেন।

প্রথম বারের মতো স্থানীয় সরকারের জেলা পরিষদের নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর। দেশে দ্বিতীয় বারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। সম্প্রতি কমিশন সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছিলেন, জানুয়ারির দিকে অনুষ্ঠিত হবে জেলা পরিষদ নির্বাচন।

পরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পেয়েছি। তবে আপনারা জানেন ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় পরিষদের জনপ্রতিনিধিরাই জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার।

ফলে এই ভোটগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে গেলে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হবে। যে কারণে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারি মাসে এর ভোট অনুষ্ঠানের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করে। ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রথমবার জেলা পরিষদে ভোট হয়। সেই সময় ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) নির্বাচন হয়েছিল। এরমধ্যে ১৯টি জেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিষয়ঃ ভোট

Share This Article


খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়ার দুই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১৭ অক্টোবর

মাতৃত্বকালীন ও কর্মজীবী মাদার ভাতা পাচ্ছেন ১১ লাখ নারী!

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

আইন করে বন্ধ হবে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, দেশের অধিকাংশ জায়গায় বিদ্যুৎ নেই

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে ৪ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী গুরুতর আহত

৬৫ বছরের বেশি বয়সীরা আগামী বছর হজে যেতে পারবেন : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম

আজ মহানবমী

বিশ্ব প্রাণী দিবস আজ

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন

র‌্যাব জঙ্গিদের চেয়েও বেশি স্মার্ট: মহাপরিচালক