ভেষজ উদ্ভিদ থেকে ১৫ গ্রামে বছরে আয় ১৫ কোটি টাকা !

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:৪৬, বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ৮ পৌষ ১৪২৮
ভেষজ উদ্ভিদ
ভেষজ উদ্ভিদ

দেশের একমাত্র ভেষজ ‘ঔষধি গ্রাম’হিসেবে পরিচিত নাটোর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়ন। ইউনিয়নের ১৫ গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষ একসময় কৃষি কাজ করলেও বর্তমানে তারা ভেষজ উদ্ভিদের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

বর্তমানে প্রতিটি গ্রামে অ্যালোভেরা, শিমুল মূল, অশ্বগন্ধা, মিশ্রিদানা, শতমূল, কালোমেঘ, হস্তিপলাশ, আমলকি, হরিতকি, বহেরা, ওলট কম্বল, অর্জুন, বেল, সোনাপাতা, কস্তুরিদানা, তেঁতুল ও ভাইচন্ডাল, পাথর কুচি, লজ্জাবতী, স্বর্ণগন্ধাসহ ১৪০ প্রজাতির ঔষধি গাছ চাষাবাদ করে বছরে গ্রামবাসীর আয় প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

২০২০ সালে উৎপাদিত অ্যালোভেরা ও শিমুল মূলের বাজারমূল্য ছিল যথাক্রমে ৯ ও ৮ কোটি টাকা। আর অশ্বগন্ধা ও মিশ্রিদানার বাজারমূল্য ছিল যথাক্রমে ৪৮ লাখ ও ২১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে বছরে আয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

অন্যান্য ভেষজ উদ্ভিদ উৎপাদন হয়েছে ১৪০ মেট্রিক টন, যার বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। ভেষজ উদ্ভিদ চাষাবাদ খরচ বাদ দিলে যে মুনাফা হয় তা যেকোনও ফসলের তুলনায় ৮-১০ গুণ বেশি। গত ২৬ বছরে ধরে তারা এ কাজ করে লাভবান হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ঔষধি গ্রামে গাছ উৎপাদনকারী রয়েছেন ৯৫০ জন। বীজ সরবরাহকারী ১৫ জন, চারা উৎপাদক ও সরবরাহকারী ৯ জন, ঔষধি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ১২ জন, মজুতকারী ৩২ জন, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা ২২ জন, হকার ও ফড়িয়া ২৫০ জন। কবিরাজ রয়েছেন ১৭ জন।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ ইউনিট চালু, সরবরাহ হচ্ছে ৭০২ মেগাওয়াট

নতুন বাজারে বেড়েছে তৈরি পোশাক রপ্তানি

কমেছে সোনার দাম

ব্যাংক হলিডে সোমবার, বন্ধ থাকবে পুঁজিবাজারও

বড় ঋণের অনুমোদন দিল বিশ্বব্যাংক, বাংলাদেশের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’

বাংলাদেশের জন্য ৭ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

রিজার্ভে যোগ হলো আরো দুই বিলিয়ন ডলার

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)

সার্কভুক্ত দেশকে নিজস্ব মুদ্রা বিনিময়ের সুবিধা দেবে ভারত

আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেল বাংলাদেশ

উচ্চ-মধ্য আয়ের স্বপ্ন: বাংলাদেশকে ২০.৮ বিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি

বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ কমেছে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার!

বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ কমেছে