জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী সংশোধন করা যাবে পাসপোর্ট

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৫:১৪, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭ পৌষ ১৪২৮

নিউজ ডেস্ক : জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অনুযায়ী পাসপোর্ট সংশোধন করা যাবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগ।
 

যাদের নামের শুরুতে ‘মো.’ বা ‘মোহা.’ আছে, সেগুলো বদলে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করার সময় শুধু ‘মোহাম্মদ’ লেখার নিয়ম চালু করেছিল ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। তবে পাসপোর্টে ‘মোহাম্মদ’ শব্দের বদলে ‘মো. ’ বা ‘মোহা. ’ করার আবেদন করলে তা সংশোধন করা হচ্ছিল না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক মানুষ।

এমন পরিস্থিতিতে যাঁরা দেশে থাকেন তাঁদের পাসপোর্টে এনআইডি অনুযায়ী তথ্যের গরমিল থাকলে এনআইডিতে দেওয়া নাম, পিতা-মাতার নাম ও বয়স অনুযায়ী তা সংশোধনের সিদ্ধান্ত দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সুরক্ষা সেবা বিভাগের নিরাপত্তা ও বহিরাগমন বিভাগ সম্প্রতি এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে। পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তিতে গত সুরক্ষা সেবা বিভাগের গত ২৮ এপ্রিলের পরিপত্র অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, পাসপোর্টে নিজের নাম, পিতা ও মাতার নাম এবং বয়স সংশোধনের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, জেএসসি-জেডিসি, এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল, কারিগরি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সমমানের সনদপত্র বিবেচনা করতে হবে। যাঁদের এ ধরনের সনদপত্র নেই তাঁদের ক্ষেত্রে জন্মসনদ বিবেচনা করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মসনদ বিবেচনা করতে হবে। প্রয়োজনে স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পাওয়া তথ্য যাচাই করা যেতে পারে। আবেদনে বয়স পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের ব্যবধান পর্যন্ত বিবেচনা করা যাবে।

পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি চাকরিজীবীরা চাকরিতে প্রবেশের সময় তথ্য জমা দেন বলে এ ধরনের আবেদন বিবেচনার সুযোগ নেই। তবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের আগেই পাসপোর্ট করলে প্রমাণপত্র পরীক্ষা করে তথ্য সংশোধন করা যেতে পারে। তথ্য সংশোধনের জন্য বিদেশের দূতাবাসে আবেদন করা হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থান বা বসবাসের প্রমাণক, ছবি, নাম ও বয়স সংবলিত প্রমাণকের দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সত্যায়িত কপি সংযোজন করতে হবে।

আবেদনকারীকে তথ্য পরিবর্তনের জন্য লিখিত আবেদন করতে হবে জানিয়ে ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা হলে আবেদনকারী দায়ী থাকবেন বলে হলফনামা দিতে হবে। 

Share This Article