খালেদার উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে শিগগিরই মতামত: আইনমন্ত্রী

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৯:০৫, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬ পৌষ ১৪২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার বিষয়ে করা আবেদনের ওপর খুব শিগগিরই আইন মন্ত্রণালয় তাদের অভিমত দেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী আনিসুল হক। আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে শিগগিরই আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত দেওয়া হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, যখন ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা হয় তখন আমি খালেদা জিয়ার বিদেশ চিকিৎসা নিয়ে ভুলের বিষয়টি হাইলাইট করেছি এবং পরিষ্কারভাবে আইনের ব্যাখ্যা দিয়েছি। খালেদা জিয়ার পরিস্থিতি ও তিনি যে মুক্ত, আইনিভাবে তার যে অবস্থান, আমি সেটা তাদেরকে বুঝিয়েছি। তারা বলেছে এই জায়গায়টা তারা কারেকশন করবে।

খালেদা জিয়া ইস্যুতে বিএনপি যে কয়বার মতামত চেয়েছে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবার প্রায় ৪০ দিন হতে চলল- এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলেছি, আমার কাছে হাইকোর্টের বিএনপি সমর্থিত ১৫ জন আইনজীবী যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানে কোথাও আইনি কোনো সাপোর্ট আছে কিনা, সেটা আমি দেখব ও দেখেছি। তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট কোনো আইনি সাপোর্ট আমি পাইনি। তারা যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা কোনো আদালতই সাপোর্ট করেননি বরং আমি যে বক্তব্য সংসদে দিয়েছি অনেক রায়ে তাকেই সমর্থন করা হয়েছে।’

তবে কি খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের অবস্থান সরাসরি ‘না’- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি খবু শিগগিরই আইন মন্ত্রণালয়ের অভিমত দেব।

৭৬ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বহু বছর ধরে আর্থ্রারাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার জন্য টানা ২৬ দিন ওই হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ৭ নভেম্বর বাসায় ফেরেন তিনি। এর ছয়দিনের ব্যবধানে খালেদা জিয়াকে আবার ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তির পর ১৪ নভেম্বর দিবাগত রাতে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে সিসিইউতে নেওয়া হয়।এখন তার ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ এবং লিভার সিরোসিসের কথা জানান চিকিৎসকরা।

তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত এপ্রিলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। পরে করোনা পরবর্তী জটিলতায় ২৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হন। সে সময় এক মাসের বেশি সময় হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ১৯ জুন বাসায় ফেরেন। পরে করোনার টিকা নিতে তিনি দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান।

উল্লেখ্য, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত তিন দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার শর্তসাপেক্ষে এ মুক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ বলছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন করা হলেও সরকার তা নাকচ করে দেয়। তাকে দেশে থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে বলে শর্তও দেওয়া হয়েছে।

Share This Article


‘পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট তৈরিতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করবে সরকার’

রংপুরে সূর্যমুখীর চাষ বেড়েছে

সরকারের একার পক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, বললেন দীপু মনি

ঢাকা সফরে আসছেন বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুতের ভর্তুকি আমরা সমন্বয় করতে চাই : ওবায়দুল কাদের

বাঁ থেকে এলিন লাউবাকের, মাইকেল শিফার ও আফরিন আক্তার -ছবি : সংগৃহীত

সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকায় মার্কিন প্রতিনিধি দল

তাপমাত্রা নিয়ে নতুন তথ্য আবহাওয়া অফিসের

মার্চে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির আন্তর্জাতিক ‘চক্রান্ত’, যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি ভারতের

রমজানে নিত্যপণ্যের সংকট হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতার অপব্যবহার যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, বিচারকদের রাষ্ট্রপতি