অভিজিৎ ইস্যুতে আমেরিকার পুরস্কার ঘোষণা ইতিবাচক: মোমেন

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ বিকাল ০৩:১৫, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬ পৌষ ১৪২৮
হোটেল রেডিসনে  কথা বলছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী
হোটেল রেডিসনে কথা বলছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পুরস্কার ঘোষণাকে বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) হোটেল রেডিসনে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা বিষয়ক এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরস্কার ঘোষণার বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয়। আমি যতদূর শুনেছিলাম, ওসামা বিন লাদেনের খোঁজ তারা এভাবে পুরস্কার ঘোষণার মাধ্যমে পেয়েছিলো। আমাদেরও তো বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ধরিয়ে দিতে পারলে বা খোঁজ দিতে পারলে পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া আছে। কেউ যদি সঠিক তথ্য দিতে পারে, তাদের অবশ্যই সরকার পুরষ্কার দেবে।’

যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশকে চাপে রেখেছে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের কিছু লোকজন আছেন, তারা ক্রমাগত বিভিন্ন ইস্যুতে সেখানকার (যুক্তরাষ্ট্র) আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, মিথ্যা তথ্য দেন। তারা বাংলাদেশে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য অতিরঞ্জিত আকারে উপস্থাপন করেন। ওখানে এসব করার জন্য কিছু লোক আছেন, এখানেও (দেশে) কিছু লোক আছেন এ রকম।’

২০১৫ সালে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী বলে যাদের সন্দেহ করা হয়, সেই মেজর জিয়া নামে পরিচিত সৈয়দ জিয়াউল হক এবং আকরাম হোসেনের ব্যাপারে তথ্য দেওয়ার জন্য ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

এ তথ্য জানিয়ে প্রকাশ করা একটি পোস্টারে বলা হয়, ‘২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বইমেলা থেকে বেরিয়ে আসার সময় আল-কায়েদা ভিত্তিক সন্ত্রাসীরা মার্কিন নাগরিক অভিজিৎ রায়কে হত্যা করে এবং তার স্ত্রী রাফিদা বন্যা আহমেদকে আহত করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস কর্মসূচির এক টুইট বার্তায় জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেনের ব্যাপারে কোনো তথ্য জানা থাকলে তা টেক্সট করে পাঠাতে একটি ফোন নম্বর দেয়া হয়।

বাংলাদেশে বইমেলা প্রাঙ্গণের বাইরে লেখক অভিজিৎ রায় খুনের চার বছর পর ওই হত্যার জন্য ছয় জনকে দায়ী করে চার্জশীট আদালতে দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

সেই হত্যাকাণ্ডের চার বছর পর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট বলছে, এই হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনী থেকে চাকরীচ্যুত মেজর জিয়াসহ মোট ১১ জন জড়িত।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে। এ সময় তার স্ত্রী রাফিদা বন্যা আহমেদও গুরুতর আহত হন। অভিজিৎ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে ইতিপূর্বে ‘মেজর জিয়া’ নামে পরিচিত সৈয়দ জিয়াউল হক এবং আকরাম হোসেনের নাম উঠে এসেছে বিভিন্ন অনুসন্ধানে। জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


পথ আটকানো নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলে মারামারি, আহত ৬

ইভিএম প্রকল্প স্থগিত নিয়ে যা বললেন সিইসি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল আজ

সংসদে সার্বজনীন পেনশন বিল পাস

বুধবার পল্লবী স্টেশনে থামবে মেট্রোরেল

পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা: হাইকোর্ট

বাংলাদেশে মানবপাচারের অন্যতম কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ: জাতিসংঘ

বইয়ে কোন বিষয়ে বিতর্ক বা ভুল থাকলে তা অবশ্যই পরিবর্তন করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার

গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ

বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক:অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ