বদলে যাচ্ছে পতেঙ্গা, রূপ পাচ্ছে অত্যাধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে !

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ রাত ০৮:১৪, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩ পৌষ ১৪২৮
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সম্ভাব্য চিত্র
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সম্ভাব্য চিত্র

উন্মুক্ত সমুদ্র সৈকত বলা হয়ে থাকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গাকে। এ জন্য একজন পর্যটকের নূন্যতম কোনো সুবিধাই নেই সেখানে।

বর্তমানে সৈকতে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের থাকার জন্য নেই কোনো হোটেল কিংবা মোটেল। সৈকতে নামা দর্শনার্থীদের জন্য নেই কোনো চেঞ্জ রুম। এমনকি রাতের সৈকত দেখার জন্যেও কারো কোনো সুযোগ নেই সেখানে।

তবে শীঘ্রই বদলে যাচ্ছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের দৃশ্যপট। ইতোমধ্যে সেখানে একটি আধুনিক সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন স্পট গড়ে তোলার প্রকল্প হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), যেখানে পর্যটকদের সকল সুযোগ-সুবিধাই থাকছে।

জানা গেছে, অত্যাধুনিক এ পর্যটন কেন্দ্রটি তৈরির উদ্দেশ্যে চূড়ান্তভাবে পতেঙ্গার প্রায় সাত কিলোমিটার এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকা টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও আউটার রিং রোডের সংযোগ স্থলে হওয়ায় এখানে প্রতিদিন হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।

এসব দর্শনার্থীদের শপিংয়ের জন্য গড়ে তোলা হচ্ছে শপিংমল, সেখানে বর্তমান দোকানদারগুলোকে পুনর্বাসন করা হবে।

পতেঙ্গার ওয়েস্ট পয়েন্টের সীমানা থেকে পশ্চিম দিকে সাতশ’ মিটার জায়গা ঘিরে একটি সংরক্ষিত এলাকা গড়ে তোলা হবে। জোন-১ নামের ওই এলাকায় পর্যটন ও বিনোদনের নানা অবকাঠামো, রাইডস, ফুড কর্ণার ইত্যাদি গড়ে তোলা হবে।

এর বাইরে ইপিজেডের উত্তর পাশে প্রায় ছয় কিলোমিটার বিচ উন্মুক্ত থাকবে। এখানে যার যেভাবে ইচ্ছে ঘুরতে কিংবা সাগরপাড়ে সময় কাটাতে পারবেন।

উক্ত ছয় কিলোমিটার এলাকায় সাগরপাড়ে বিচে নামার জন্য কয়েকস্থানে সিঁড়ি, টয়লেট, চেঞ্জিং রুম নির্মাণ করা হবে। পুরো এলাকায় থাকবে বৈদ্যুতিক বাতি, যাতে রাতে দিনে যে কোন সময় মানুষ নিরাপদে ওই এলাকায় বেড়াতে পারেন।

২০২২ সালের জানুয়ারিতে নতুন এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

Share This Article