৬০ বিঘার বেশি ব্যক্তিগত জমি সরকার নেবে

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:৪০, শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো

 ব্যক্তিগতভাবে ৬০ বিঘার বেশি জমির মালিক হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি জানান, ব্যক্তিমালিকানায় ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে সরকার সেটা সিজ (বাজেয়াপ্ত) করে নিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

 

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন- ২০২২’ এবং  ‘ভূমি সংস্কার আইন- ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।

ভূমি সংস্কার আইন প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভূমি সংস্কার আইন এটা ১৯৮৪ সালের একটি অর্ডিন্যান্স ছিল, সেটাকে ভূমি সংস্কার আইন হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। যেমন ভূমি সংস্কার আইনে কৃষি জমি ৬০ বিঘা, কিন্তু এ আইনে বলা হয়েছে যদি রপ্তানিমূলক কৃষিপণ্য বা অন্য কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প হয় তবে সেক্ষেত্রে এই ৬০ বিঘা প্রযোজ্য হবে না।

তিনি বলেন, ব্যক্তিমালিকানায় ৬০ বিঘার বেশি নিতে পারবে না। ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মাফ। আর ম্যাক্সিমাম রাখতে পারবে একজন ৬০ বিঘা। কিন্তু সে যদি কোন ইন্ডাস্ট্রি করে কৃষি পণ্যের যেটা রপ্তানিমুখী তাইলে সেক্ষেত্রে এই ৬০ বিঘার সিলিং তার জন্য প্রযোজ্য নয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৬০ বিঘার বেশি হলে ওটা সিজ করে নিয়ে যাবে। ধরেন কারো ২০০ বিঘা জমি ছিল, তখন সে তাড়াতাড়ি ছেলেরে মিউটেশন করে দিছে, মেয়েকে মিউটেশন করে দিছে। সে নিজে ৬০ বিঘার নিচে রাখছে। ৬০ বিঘার চেয়ে বেশি সিলিং রাখতে পারবে না।

ভূমি উন্নয়ন কর আইনের বিষয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আগের একটি অধ্যাদেশকে পরিমার্জন করে নতুন আইন করা হচ্ছে। নতুন আইন পাস হলে কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। তবে জমি ২৫ বিঘার ওপরে থাকলে সব জমির জন্য ট্যাক্স দিতে হবে। ধরেন আমার ২৬ বিঘা জমি আছে, তাহলে পুরো ২৬ বিঘার দিতে হবে। তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে ৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে জরিমানা করে আদায় করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি কবরস্থান, শ্মশান, মসজিদ, ঈদগাহ, মাঠ, মন্দির, গির্জা বা সর্বসাধারণের প্রার্থনার স্থানকে ভূমি উন্নয়ন করের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কবরস্থানের ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে। কারণ পারিবারিক কবরস্থানের রেকর্ড ব্যক্তিনামে থাকে। এলাকাবাসী মিলে মসজিদের পাশে যে কবরস্থান করে সেটি মসজিদের নামে হওয়ায় কর দিতে হয় না।

বিষয়ঃ বাংলাদেশ

Share This Article


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের বৈঠক

রেমালের প্রভাবে ঝড়বৃষ্টি থাকবে আগামীকাল পর্যন্ত

জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যেতে পারে ১৫ জেলা

বেনজীর আহমেদের কোম্পানি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ

জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে সুন্দরবন

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ গ্রামীণ ব্যাংকের

রেমালের কারণে কক্সবাজার ও কলকাতার সকল ফ্লাইট বাতিল

সন্ধ্যায় আছড়ে পড়তে পারে রেমালের অগ্রভাগ

ইউনূসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সাড়ে ৯ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার অভিযোগ

চলতি অর্থবছর কোনো চাল আমদানি করা হয়নি

কোন দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিক ঢুকতে পারেন, প্রশ্ন মন্ত্রীর

সবাইকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রীর