শুধু গার্মেন্টস এর ওপর নির্ভরশীলতা নয়, যুক্ত হচ্ছে আরো তিন পণ্য

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০১:২২, শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২, ৩০ বৈশাখ ১৪২৯

গত কয়েক যুগ ধরেই রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে দেশের গার্মেন্টস শিল্প। প্রতিবছর নির্ধারিত সময়ের আগেই রপ্তানীর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করছে খাতটি। এটি দেশের জন্য ভালো।  

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি খাতের ওপর  অতিনির্ভরশীলতা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।কোন কারণে একটি খাতে বিপর্যয় নেমে এলে দেশের অর্থনীতিতেও বিপর্যয় নেমে আসবে।

তবে দেরিতে হলেও পোশাকের পাশপাশি তিনটি খাতের পণ্য রফতানি ১০০ কোটি বা ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে। এগুলো হচ্ছে-হোম টেক্সটাইল, কৃষি পণ্য এবং চামড়াজাত পণ্য।

এছাড়া, পাট,  পাটজাত পণ্যের রফতানিও শত কোটি ডলার ছুঁইছুঁই করছে। এ দলে আরো যুক্ত হয়েছে প্রকৌশল পণ্য,  হিমায়িত খাদ্য, ঔষধ ও আইটি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে যে, দেশের রফতানির স্থায়িত্ব অনেক বেড়ে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এটা অবশ্যই অনেক ভালো লক্ষণ। আরো একটি সুসংবাদ হচ্ছে, রফতানির লক্ষ্যমাত্রা গত ১০ মাসেই অর্জিত হয়েছে।

পোশাক খাতের পাশাপাশি নতুন যেসব খাত এগিয়ে আসছে সেগুলোর প্রতি যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের কিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন,পণ্যের ডাইভারসিফিকেশন যত বাড়বে, রফতানি ততোই স্থায়ী হবে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ও অর্থনীতিবিদ ড. জায়েদ বখত বলেন, অনেকদিন থেকেই আমরা চেষ্টা করছি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ বাড়ানোর। পোশাক খাতের ভেতর এবং বাইরেও চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, রফতানির এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে পোশাক খাতের মতো অন্য রফতানিমুখী খাতগুলোকেও একই সুবিধা দিতে হবে। যেমন ব্যাক টু ব্যাক এলসি, বন্ডেড ওয়্যার হাউস, ডিউটি ফ্রি এক্সেস ইত্যাদি। এসব সুবিধা দিলে সম্ভাবনাময় অনেক পণ্যই রফতানিতে ভালো করতে পারবে।

Share This Article