সকাল ০৬:৪৩, শনিবার, ২ জুলাই, ২০২২, ১৮ আষাঢ়

‘লাশ গুনতে গুনতে ক্লান্ত’ চিকিৎসক খুন করলেন স্ত্রী-সন্তানদের!

লাশ গুনতে গুনতে ক্লান্ত এক চিকিৎসক করোনা সংক্রমণ থেকে স্ত্রী, সন্তানদের ‘বাঁচাতে’ তাই তাদের খুন করলেন।

খুন করার আগে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিয়েছিলেন, ‘লাশ গুনতে গুনতে আমি ক্লান্ত। ওমিক্রনের সংক্রমণ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। এমন পরিস্থিতির যাতে শিকার না হতে হয়, তাই ওদের মুক্তি দিচ্ছি।’ খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

ভারতের উত্তরপ্রদশের কানপুরের এই চিকিৎসকের এমন কাণ্ডে শিউরে উঠেছেন অনেকেই।

পুলিশ জানায়, স্ত্রী-সন্তানদের খুন করার পরই ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক।

চিকিৎসকের এ ধরনের বার্তা পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান তার ভাই। তিনি গিয়ে দেখেন, একটি ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন তা ভাবি। অন্য ঘরে ভাইপো-ভাইঝি। এর পরই তিনি পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে এবং দুই সন্তানকে হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলি ফাটিয়ে খুন করেছেন চিকিৎসক।

পুলিশকে চিকিৎসকের ভাই জানিয়েছেন, তার বড়ভাই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে— ওমিক্রন আতঙ্কেই কি খুন নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে। যদিও এ ঘটনার পর থেকে পলাতক চিকিৎসক।

পুলিশ চিকিৎসকের ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছেন। সেখানে তিনি খুনের কথা লিখেছেন। শুধু তাই নয়, ওমিক্রনের কথাও সেখানে উল্লেখ করেছেন তিনি।

তদন্তকারীদের দাবি, ডায়েরিতে এটিও স্পষ্ট করে লেখা যে, ‘এখন থেকে আর লাশ গুনতে হবে না। করোনা সবাইকে মারবে।’

Share This Article


অনুমোদন পেল আরও ৩ নিউজ পোর্টাল ও ১৫ পত্রিকার অনলাইন

প্রতি ১০ তলা ভবনে অন্তত ১ ডজন সাদিয়া!

জাতিসংঘের তিন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের বাংলাদেশ সফর

বিকেল হতেই চাপহীন এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজা

দুর্ভোগের দিন শেষ গরু ব্যবসায়ীদের

করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮৯৭

অধ্যাপক রতন সিদ্দিকীর বাসায় ‘হামলা‌’

উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে চর্মরোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে: ডিএমপি কমিশনার

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়: র‍্যাব ডিজি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ওদেসা অঞ্চলে নিহত ১৮: ইউক্রেন

বুমরাহর নেতৃত্বে টস হেরে ব্যাটিংয়ে ভারত

ইংল্যান্ডের নতুন অধিনায়ক বাটলার

প্রথম নারী কৃষ্ণাঙ্গ বিচারপতি পেলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে