বিকাল ০৫:৪৪, শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২, ২৮ শ্রাবণ

আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসি

নির্বাচন কমিশন ভবন
নির্বাচন কমিশন ভবন

নিজস্ব প্রতিবেতন: আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সব নির্বাচন শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে চলমান স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ সব নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা করেছে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের কমিশন।

 

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায়ের আগেই বর্তমান কমিশন জেলা পরিষদের নির্বাচনও করার চিন্তা ভাবনা করছে। সেক্ষেত্রে সব জেলা পরিষদের নির্বাচন সম্ভব না হলেও কিছু জেলা পরিষদের নির্বাচন করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জানুয়ারির মধ্যে মোটামুটি স্থানীয় সরকারের মেয়াদ উত্তীর্ণ সব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। যেসব জেলায় ডিসেম্বরের মধ্যে ইউপি, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের ভোট সম্পন্ন হয়েছে সেই সব জেলায় জেলা পরিষদের ভোট করা হবে। সেক্ষেত্রে জানুয়ারিতে জেলা পরিষদের ভোট হতে পারে।

ইসির সংশ্লিষ্টরা বলেন, ইতিমধ্যে প্রায় সব পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নিবাচন শেষ পর্যায়ে। প্রায় ৩ হাজার ইউপির ভোট চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। গত ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর ইউপির প্রথম ধাপে ৩৬৫টি, গত ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৩টি, গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ইউপির ভোট শেষ হয়েছে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে আরো ৮৪৩টি ইউপির ভোট হবে। এছাড়াও আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোট হবে। বাকি ষষ্ঠ ধাপের ভোটও জানুয়ারির মধ্যে শেষ করবে কমিশন। এছাড়াও আগামী ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, পাঁচ পৌরসভা ও টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে ইসি।

একটি জেলার অধীনে যতগুলোর স্থানীয় সরকার রয়েছে, সেগুলোর সদস্যরাই ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করে থাকেন। অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র এবং কাউন্সিলররা বা সদস্যরা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করে থাকেন।

প্রথম বারের মতো স্থানীয় সরকারের জেলা পরিষদের নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর। দেশে দ্বিতীয় বারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। সম্প্রতি কমিশন সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছিলেন, জানুয়ারির দিকে অনুষ্ঠিত হবে জেলা পরিষদ নির্বাচন।

পরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পেয়েছি। তবে আপনারা জানেন ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় পরিষদের জনপ্রতিনিধিরাই জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার।

ফলে এই ভোটগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে গেলে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হবে। যে কারণে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারি মাসে এর ভোট অনুষ্ঠানের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করে। এরপর জোট সরকারের আমলে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করে। ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রথমবার জেলা পরিষদে ভোট হয়। সেই সময় ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) নির্বাচন হয়েছিল। এরমধ্যে ১৯টি জেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

Share This Article


ওয়েবিলের নামে বেশি ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল

‘যৌবনের মূল্যায়ন কর বার্ধক্যের আগে’

শ্রীলংকায় ১ কোটির বেশি রুপি দান করল অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা

হেরে গেলেও একে অন্যের পাশে থাকার ঘোষণা

শিল্পাঞ্চল এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটি নির্ধারণ

বেট উইনারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করবেন সাকিব

বনানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিকশাচালক নিহত

কোভিডঃ বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

নদীবন্দরে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত

ফতুল্লায় ২১ যাত্রীসহ ট্রলারডুবি

আন্তর্জাতিক যুব দিবস আজ

Video does not show 2022 fuel protests in Bangladesh, it dates to 2013

বিপিসির কাজ কি? তারা কেনো এফডিআর করে?

তিন দশক পর সেই সন্তানের অনুপ্রেরণায় ধর্ষকদের বিচার চেয়ে আদালতে মা

করোনায় ‘গুরুতর অসুস্থ’ ছিলেন কিম জং উন