সকাল ০৮:০২, শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২, ৪ ভাদ্র

নৌকার মাঝি পরিকল্পনামন্ত্রী!

উচ্চ পদে চাকরি করেছেন। অবসরে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তিনি আজ প্রভাবশালী মন্ত্রী। তারপরও নিজের গ্রামকে ভুলে যাননি। আজও সময় ও সুযোগ পেলেই চলে আসেন জন্ম স্থানে। নিজেই বৈঠা হাতে চালান নৌকা। এজন্য নিজে কাঠ কিনে তৈরি করেছেন একটি ডিঙ্গি নৌকা। বলছিলাম, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের কথা। এবার তিনি শুধু একা নয়, নাতিকে নিয়ে ওই ডিঙ্গি নৌকা চালিয়েছেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা সদরে ‘হিজল করচ’ বাড়ির পিছনে নাইন্দা নদীতে নাতি পাসকেল মান্নানকে নিয়ে নৌকা চালিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এমন ছবি দলের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, শনিবার ভোরে সিলেট রেলস্টেশন হতে সড়কপথে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়িতে আসেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তিনি একটু বিশ্রাম নেন। সকাল ৮টার পর নিজ বাড়ির বৈঠকখানায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় নাতি পাসকেল মান্নানকে সঙ্গে নিয়ে একাই নৌকা চালিয়ে নাইন্দা নদীতে বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেন।

নৌকা থেকে নেমে যাওয়ার সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এই অল্প একটু সময়ে নিজ বাড়ির পিছনের নদীতে নিজের হাতে নৌকা চালিয়ে যে কত আনন্দ পাই তা বলে বোঝানো যাবে না। বিজয়ের মাসে নিজের হাতে নৌকা বাওয়ার (চালানো) মজাই আলাদা। আজকে যে আনন্দ পেয়েছি তা আর কখনো পাইনি।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই নৌকা দেখে আসছি, নৌকার সঙ্গে পরিচয়। হাওর ও নৌকা দেখে বড় হয়েছি। আগের গ্রামের গরিব-ধনী সবারই ঘাটে ছোট-বড় নৌকা ছিল। কাঠ কিনে মিশ্রি দিয়ে নৌকাটি তৈরি করেছি। এটি হাতে চালানো যায়। আমি নৌকা বাওয়া (চালানো) খুব পছন্দ করি। বাড়িতে আসলে নৌকাটি নিয়ে বাওয়ার চেষ্টা করি। ’

পরিকল্পনামন্ত্রী নৌকা থেকে নেমে যাওয়ার পর তার ছেলে সাদাত মান্নান অভিও পাসকেল মান্নানকে নিয়ে কিছু সময় ডিঙ্গি নৌকায় চড়েন। পরে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা খুব পরিশ্রমী ও একজন সাদাসিদে মানুষ। তিনি হাওর ও গ্রামকে খুব ভালোবাসেন। যতবার শান্তিগঞ্জে আসেন ততবারই নৌকা নিয়ে নদীতে একা একা ঘুরতে বের হন। আজকে বাবার মতো আমি নিজেও নৌকায় ছেলেকে নিয়ে ঘুরেছি। নিজের হাতে বাড়ির কাছের নদীতে নৌকা চালানো খুব আনন্দ।’

উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামে তার জন্ম। হাওরপাড়ের গ্রামের কাদামাটিতে বেড়ে ওঠা তার। ২০০৩ সালে যুগ্ম সচিব থেকে অবসর নেওয়ার পর রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি।

জানা গেছে, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান তার ডুংরিয়া গ্রামের পৈত্রিক বাড়ি সরকারকে দান করে দিয়েছেন। সেখানে তিনি মায়ের নামে গড়ে তুলেছেন আজিজুননেসা টেক্সটাইল ইনস্টিটিউ। বর্তমানে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে শান্তিগঞ্জ উপজেলা সদরে ‘হিজল করচ’ নামে নতুন বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছেন তিনি। সেই বাড়ির পাশের নাইন্দা নদী। ঢাকা থেকে কোন কাজে বাড়িতে আসলেই তিনি নৌকা নিয়ে নদীতে চলে যান এবং একা একা নৌকা চালান।

Share This Article


বঙ্গবন্ধুকে হত্যায় জিয়াউর রহমান জড়িত না থাকলে ঘাতকরা সাহস পেত না : ওবায়দুল কাদের

গার্ডার দুর্ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে আপত্তি নেই চীনের

দুর্ঘটনার পর নাম আসা ১০ জন গ্রেফতার

ডলারে ‘অতিরিক্ত মুনাফা’র কারণে এবার ৬ ব্যাংকের এমডিকে শোকজ

কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম

স্বস্তিতে ডলার

ফিলিস্তিনকে সামরিক সহযোগিতা দিতে আগ্রহী রাশিয়া

ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে মুস্তাফিজ

সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে ডিমের দাম

সীমানা পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কে জড়াবে না ইসি

ফিটনেসবিহীন ক্রেনটি চালাচ্ছিল চালকের সহকারী: র‍্যাব

এবার শিরোপা জিতবে বার্সেলোনা: লেওয়ানডস্কি

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ অর্থ বিলে স্বাক্ষর বাইডেনের

শিগগিরই ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে চলবে বিমানের ফ্লাইট

হঠাৎ অসুস্থ খালেদা জিয়া