দুপুর ০১:৪৩, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০২২, ২৩ আষাঢ়

পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন মাহিন্দা রাজাপাকসে?

চরম অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। তার পদত্যাগের আগে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। 

প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করে সরকারপন্থিরা। এতেই দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয় এবং তা রাজাধানী কলম্বোসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা রাজাপাকসে পরিবারের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, এমপি, সাবেক মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুর করে। 

শুধু তাই নয় তারা মাহিন্দা রাজাপাকসের সরকারি বাসভবন টেম্পল ট্রিজেও হামলার চেষ্টা করে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস এবং জল কামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে আটকা পড়েন। পরে মঙ্গলবার ভোরের দিকে সেনা পাহারায় সেই বাসভবন ছাড়েন মাহিন্দা রাজাপাকসে।

এরপর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিয়ে তিনি দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিঙ্কোমালি শহরের একটি নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নেন। যদিও ওই নৌ ঘাঁটিও বিক্ষোভকারীরা ঘিরে রেখেছিলেন বলে মঙ্গলবার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবারই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রটে যায়, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভারতে পালিয়েছেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। তবে এর পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখা যায়নি যোগাযোগমাধ্যমে। এর আগে মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলে বলেছিলেন, তার বাবা দেশ ছেড়ে পালাবেন না।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো খবর শ্রীলঙ্কাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের চোখ এড়ায়নি। বাধ্য হয়ে হাইকমিশন এক বিবৃতিতে মাহিন্দা রাজাপাকসের ভারতের পালানোর বিক্ষোভকারীদের দাবি প্রত্যাখ্যান করে। 

বিবৃতিতে ভারতের হাইকমিশন বলেছে, মাহিন্দা রাজাপাকসের ভারতের পালানোর খবর ভুয়া এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটি সত্য বিবর্জিত খবর। হাইকমিশন জোরালোভাবে এই খবর অস্বীকার করছে। 

মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ বলেছে, গত সোমবারের সহিংসতায় আট জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৩০ জনের বেশি। এ ছাড়া  ৮৫টির মতো আগুন হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষমতাসীন এক এমপি,  প্রাদেশিক সভার এক চেয়ারম্যান, পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক এবং এক সার্জেন্ট রয়েছেন।
 

বিক্ষোভকারীরা ৪৭টি গাড়ি এবং ৩৮টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ছাড়া ৪১টি গাড়ি এবং ৬৫টি বাড়ি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া গাড়ির অধিকাংশই সাবেক মন্ত্রী বা ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, ডেইলি মিরর (শ্রীলঙ্কা)

Share This Article


আমেরিকার স্যাংশনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সব দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ঈদ ঘনিয়ে আসতেই জমজমাট হচ্ছে কোরবানির হাট

২০ বছরে ইউরোর রেকর্ড দর পতন

এবার ঈদে রাজধানী ছাড়বে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ

মাঙ্কিপক্স ৫৮ দেশে ছড়িয়েছে, জরুরি বৈঠকে বসছে ডব্লিউএইচও

মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আজ থেকে ৭ দিন

পরী মনির নামে মামলা করলেন ব্যবসায়ী নাসির

বড় বিপর্যয় এড়াতে ‘দেউলিয়া’ শ্রীলঙ্কা ছাড়ার হিড়িক

পাকিস্তানে ভারী বর্ষণে ৭৭ জনের প্রাণহানি

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

নুপুর শর্মার মাথার দাম ঘোষণা করায় আজমির শরিফের খাদেম গ্রেপ্তার

জনমত জরিপ: জনসনের পদত্যাগ চায় ৬৯% ব্রিটিশ

গরমে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে যা করবেন

সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের

নাইজেরিয়ায় কারাগারে হামলা, পালিয়েছে ৯০০ কয়েদি