সন্ধ্যা ০৬:২৫, শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২, ১১ আষাঢ়

মোংলা বন্দর ডিসেম্বর মাসে যুক্ত হচ্ছে রেল নেটওয়ার্কে

দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় লাইফ লাইন মোংলা বন্দর ডিসেম্বর মাসে যুক্ত হচ্ছে রেল নেটওয়ার্কে। এজন্য খুলনা-মোংলা রেললাইন নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

ইতোমধ্যেই রেললাইন টেলি কমিউনিকেশন সিগনালিং ও রূপসা নদীতে সেতু নির্মাণসহ প্রকল্পের সার্বিক কাজ ৯২ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ শেষে ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী খুলনা-মোংলা রেলপথের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করছে রেলওয়ে বিভাগ। এই রেলপথ উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে বিশ্বের রেল সংযোগবিহীন একমাত্র আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরের দুর্নাম ঘুচবে মোংলা বন্দরের। 

বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি করতে খুলনা থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেল লাইন প্রকল্পটি গত ২০১০ সালে ২১ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পায়। জমি অধিগ্রহণ, রেল লাইন ও রেল সেতু নির্মাণসহ সমগ্র প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮০১ কোটি ৬১ লাখ টাকা। 

এরপর পাঁচবার সময় বাড়িয়ে সর্বশেষ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধির করা হয়েছে। এরই সাথে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৬০ কোটি ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। খুলনার ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ৬৪ দশমিক ৭৫০ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণ কাজ শেষের মধ্যদিয়ে মোংলা সমুদ্র বন্দরকে বিদ্যমান রেলওয়ে নেটওয়ার্কেও সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে।

চলমান এ প্রকল্পের ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘ইরকন ইন্টারন্যাশনাল’ এর প্রজেক্ট ম্যানেজার বলরাম দে জানান, খুলনা-মোংলা রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের ছোট বড় মিলিয়ে ৩১টি ব্রিজ ও ১০৮টি কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। রূপসা নদীর ওপর রেল সেতুর কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। পাইলিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এরপর মাত্র দু’টি স্প্যান জোড়া লাগবে। এছাড়াও এখনও ৯টি রোড আন্ডারপাসের কাজ বাকি আছে। এগুলোর ড্রইং হাতে এলেই দ্রুত কাজ শেষ করা হবে।

খুলনা-মোংলা রেল লাইন নির্মাণ কাজের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. আরিফুজ্জামান জানান, রেল পথের কিছু অংশ, রেল সেতুর পাঁচ শতাংশ ও ফিনিশিং ওয়ার্ক বাকি আছে। তবে নতুন ডিজাইনের ৯টি রোড আন্ডারপাস নির্মাণ, পাইলের লেনথ সংখ্যা বৃদ্ধি ও মাটির কাজসহ নতুন কিছু কাজ সংযোজন হয়েছে। সে হিসেবে পূর্বের একশ শতাংশ কাজের সঙ্গে আরও ১২ শতাংশ কাজ বেড়েছে। বর্তমানে রেল লাইনের মূল ভৌত অবকাঠামো কাজ ৯২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে। করোনাকালে ভারত থেকে মালামাল আসতে ও নানা সংকটে শুরুতেই নির্মাণ কাজে বিলম্ব হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মূসা জানান, ডিসেম্বরে চলমান এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বিশ্বের রেল সংযোগবিহীন একমাত্র আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরের দুর্নাম ঘুচবে মোংলা বন্দরের। মোংলা বন্দরের গতি আরও সঞ্চার হবে। পদ্মা সেতু চালুর ফলে রাজধানী ঢাকার সব থেকে কাছের এই বন্দর দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য কয়েকগুণ। মোংলা বন্দরের সাথে রেলপথে যুক্ত হবে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও বাংলাবান্ধা হয়ে ভারতে শিলিগুড়ির রেল যোগাযোগ। ফলে দেশের মধ্যেসহ কম খরচে ভারত, নেপাল ও ভুটানের মালামাল পরিবহন সহজ হবে। এতে এই বন্দরের আমদানি-রফতানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কন্টেইনার সার্ভিসও বাড়বে।

Share This Article


মুক্তিযুদ্ধ না দেখলেও আমরা পদ্মা সেতু দেখেছি: শাওন

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে জাতীয় মসজিদে দোয়া

টানা ১৯ দিন বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

গুগল ম্যাপেও স্বপ্নের পদ্মা সেতু

পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ২০ টাকা

নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নেই, আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে টোল গুনতে হয়েছে ৭৫০ টাকা

আফগানিস্তানে ৫ শয্যার ক্লিনিকে ৫০০ জনের চিকিৎসা

বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাকটেরিয়া টি. ম্যাগনিফিকা

এবার বিশ্বব্যাংকও জানালো অভিনন্দন!

ফাইল ফটো

অস্ট্রেলিয়া থেকে পদ্মা সেতু নিয়ে যা বললেন নায়িকা শাবনূর

পদ্মা সেতুতে কত টাকা টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতু: সুর পাল্টে বিশ্বব্যাংকের অভিনন্দন

পদ্মা সেতুতে হাজারো মানুষের ঢল

২৬ জুনের মধ্যে ঈদ বোনাস দেওয়ার নির্দেশ