১৩৫ রানে থামলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  স্পোর্টস ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ সকাল ০৯:৪৯, সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। কেবল হাফ সেঞ্চুরি পেলেন রস্টন চেজ। বাকিদের কেউই রান করতে পারলেন না তেমন। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনেও তাই বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি স্বাগতিকরা।

সোমবার অ্যান্টিগায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান করেছে ক্যারিবীয়রা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাগিসো রাবাদার বলে ক্রিস্টিয়ান স্টাবসের হাতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন শাই হোপ। ধাক্কা সামলে উঠার আগেই পরের ওভারের প্রথম বলেও উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা।

৩ বলে ১ রান করে এবার নিকোলাস পুরান ফেরেন মার্কো ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে। দ্রুত দুই উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাল ধরেন কাইল মেয়ার্স ও রস্টন চেজ। দুজনের জুটিতে ভর করে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান তোলে ক্যারিবীয়রা।

ভয় ধরাতে থাকা এই জুটি ভাঙেন তাবরেজ শামসি। ১২তম ওভারের শেষ বলে গিয়ে মেয়ার্সকে আউট করে দেন তিনি। ৩৪ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন শামসি। ৬৫ বলে ৮১ রানের জুটি ভাঙে চেজের সঙ্গে। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ক্যারিবীয়রা।

পরের দিকের ব্যাটাররা কেউই আর সেভাবে রান করতে পারেননি। ৯ বলে ১৫ রান আসে আন্দ্রে রাসেল ও ৭ বলে ১১ রান আসে আলজেরি জোসেফের ব্যাট থেকে। রস্টন চেজও ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪২ বলে ৫২ রান করে আউট হন তাবরেজ শামসির বলে। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শামসি।

Share This Article

এ যুগের রাজাকারদের পরিণতি ওই যুগের রাজাকারদের মতই হবে : শিক্ষামন্ত্রী

যাঁরা ‘আমি রাজাকার’ বলেন, তাঁদের শেষ দেখে ছাড়বে ছাত্রলীগ

কোটা আন্দোলনকারীদের হটাতে অ্যাকশনে পুলিশ

পারলে সশরীরের ঢাকায় যেতাম, আন্দোলন নিয়ে কবীর সুমন

আর্জেন্টিনার ইতিহাস গড়া জয়, কোপার শিরোপা মেসিদের

ঢাবি হলের কক্ষে কক্ষে কোটাব্যবস্থা নিয়ে প্রচারপত্র দিলেন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা

শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুকন্যাকে কটূক্তি করেনি, কেউ শিখিয়ে দিয়েছে

জামিন পেলেন সেই সেই মিল্টন সমাদ্দার

প্রাণহানির প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে : প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রলীগের উপর বিনা উসকানিতে হামলা চালানো হয়েছে : ওবায়দুল কাদের