ভারতের ধর্মসংসদে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য: প্রধান বিচারপতিকে চিঠি

  বাংলাদেশের কথা ডেস্ক
  প্রকাশিতঃ দুপুর ০১:০০, মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১৩ পৌষ ১৪২৮

ভারতের হরিদ্বার ও দিল্লির ধর্মসংসদে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও মুসলিমদের গণহত্যা করার আহ্বানের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের ৭৬ জন আইনজীবী ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রমনাকে লেখা এক চিঠিতে এধরনের বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়টি আমলে নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন। 

১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে দিল্লি ও হরিদ্বারে অনুষ্ঠিত সাধুদের সমাবেশে ভারতের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া হয়। এমনকী সংখ্যালঘু মুসলিমদের টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু হরিদ্বার ধর্ম সংসদের সংগঠকরা এবং যারা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তারা বলছেন যে তারা কোনো ভুল করেননি।

গণমাধ্যমে প্রকাশ- দিল্লি এবং হরিদ্বারে অনুষ্ঠিত এ ধরণের ধর্ম সংসদে জাতিগত গণহত্যারও আহ্বান জানানো হয়েছিল। প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠিতে সিনিয়র আইনজীবীরা বলেছেন, পুলিশি পদক্ষেপ না হওয়ায় দ্রুত বিচার বিভাগীয় হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়ে, এমতাবস্থায় এ ধরণের পদক্ষেপ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

ওই চিঠিতে দুষ্যন্ত দাভে, প্রশান্ত ভূষণ, বৃন্দা গ্রোভার, সালমান খুরশিদ এবং পাটনা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অঞ্জনা প্রকাশের মতো বিশিষ্ট আইনজীবীদের নামও রয়েছে। ওই আইনজীবীদের আবেদন, দিল্লিতে ‘হিন্দু যুব বাহিনী’র সভায় ঘৃণা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং হরিদ্বারে ধর্ম সংসদের নাম করে ‘গণহত্যা’র ডাক ও বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করা হোক।

তাদের বক্তব্য- দিল্লি এবং হরিদ্বারের সভায় নিছক বিদ্বেষ ছড়ানো হয়নি, প্রকাশ্যেই এ দেশের মুসলিমদের গণহত্যার ডাক দেওয়া হয়েছে। এ ধরণের বিদ্বেষ-বক্তব্য শুধু জাতীয় ঐক্য ও সংহতির পক্ষে বিপজ্জনক নয়, তা এ দেশের লাখ লাখ মুসলিমের জীবনও বিপন্ন করে তোলে।

হরিদ্বারের ধর্মসংসদ থেকে সাধ্বী অন্নপূর্ণা বলেছিলেন, ‘ওদের ধ্বংস করতে চাইলে মেরে ফেলতে হবে। আমাদের ১০০ লোক দরকার যারা ওদের ২০ লাখ মানুষকে হত্যা করতে পারবে। ওই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুষ্ঠানের ভিডিও ভাইরাল হতেই বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু উদ্যোক্তাদের দাবি, তারা ভুল কিছু বলেননি। হিন্দু রক্ষা সেনার প্রবোধানন্দ গিরি বলেন, তিনি যা বলেছেন তার জন্য লজ্জিত নন। সেজন্য মন্তব্য প্রত্যাহারের প্রশ্ন ওঠে না। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে প্রবোধানন্দ গিরির বক্তব্য- মিয়ানমারের মতো পুলিশ, রাজনীতিবিদ, সেনা এবং প্রত্যেক হিন্দুর কাছে অস্ত্র থাকা দরকার। তারপর শুরু হোক নির্মূল অভিযান। এ ছাড়া অন্য কোনও পথ খোলা নেই।

হরিদ্বারের ধর্ম সংসদের চারদিন পরে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। সেখানে কেবল নাম রয়েছে একজনের। পরে ধর্ম দাস এবং সাধ্বী অন্নপূর্ণার নাম যুক্ত করা হয়। কিন্তু ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে পুলিশ কাউকেই এ পর্যন্ত গ্রেফতার করেনি।

Share This Article


৯তলা থেকে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

অবশেষে ইরানে নীতি পুলিশ বিলুপ্ত

লাপিডের বিরুদ্ধে সেনা অভ্যুত্থানের অভিযোগ নেতানিয়াহুর

কেন জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন বেয়ার গ্রিলস?

ইউক্রেনের মারিউপোলে সেনা ঘাঁটি বানাচ্ছে রাশিয়া

অ্যালকোহল নিষিদ্ধ করায় স্টেডিয়ামে নিরাপদ বোধ করছেন নারী দর্শকরা

হিজাব ইস্যুতে বিক্ষোভে নিহত ২০০, স্বীকার করলো ইরান

পরকীয়ার বলি: অল্প অল্প করে বিষ খাইয়ে স্বামীকে হত্যা

‘আমি স্ট্রং আছি’, হাসপাতাল থেকে বার্তা পেলের

ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের সম্মেলন আজ

কাবুলে পাকিস্তান দূতাবাসে হামলা

ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত বাইডেন